Subhadip Dutta Pramanik

ডিশ অ্যান্টেনা শুভদীপ দত্ত প্রামানিক ” হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে । “মহামন্ত্রই শিশুর কোলদেখছি মনোরম স্নানমায়া স্পর্শ করছে গণিকা আহ্বান । শুক যা বলে বলুক আমার রাধা বাঁশিসত্য কৃষ্ণ গুরুতেই ধর্ম অর্থ কদাচিৎ জ্যামিতি শুদ্ধ প্রেমিকা মিথুনের তীরে খুলে বসে যোগীন । বৃন্দাবনে আজও সৃষ্টি হয় অপরিমেয় কোষহাততালি ভেঙে তুলে আনি …

Subhadip Dutta Pramanik Read More »

Baridbaran Gupta

খিড়কি থেকে সিংহ দুয়ার বারিদ বরন গুপ্ত ‘খিড়কি থেকে সিংহ দুয়ার এই তোমাদের পৃথিবী’সত্যিই তাই! ‘এক সময় মেয়েদের জগৎ ছিল তাই, বাড়ির গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ! তাদের জীবনের চাওয়া-পাওয়া যা কিছু সব এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতো, বাইরে যে একটা জগৎ আছে, সেই জগত সম্পর্কে তাদের কৌতূহল থাকলেও সেই কৌতূহল মেটানোর সাহস বা ক্ষমতা তাদের ছিল না, …

Baridbaran Gupta Read More »

Md. Habibur Rahman

বিপরীত সময়ের মুখমুখি মুহাঃ হাবিবুর রহমান এই খানে একটি পদচিহ্ন একেঁ দাও-বিস্তর ফাক রেখ দাড়াও রৌদ্রজ্জল দিনের শুরু ভাগে,কোনো রাগ কিংবা অভিমান যেন তোমাকে স্পর্শ করতে না পারে।দিনের প্রথম ভাগের নরম রোদের তাপে উত্তপ্ত হবে তোমার মসৃন শরীরচুলের ডগায় জমবে ঘামের ফোটা-শ্রাবনে ঝরা ধারার মতো ঝরতে পারে নিঃসঙ্গ বৃষ্টির কণাপ্লাবিত মেঠ পথে জমে থাকবে ঘোলা …

Md. Habibur Rahman Read More »

Bikash chandra Mandal

” ভুত ছাড়ানো “ বিকাশ চন্দ্র মন্ডল তখন ” ছেলে ঘুমাল, পাড়া জুড়াল বর্গী এল দেশে ” ঘুম পাড়ানি ছড়া বললেই ছোট্ট ছেলেরা ঘুমিয়ে যেত। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠে দাঁতনে শাল দাঁত মাঝতো। চটের থৈলা বিছিয়ে গড গড় করে ডেকে ডেকে পড়তো। এক প্রত্যন্ত গ্রামের আদিবাসী ঘরে ভুত লেগেছে । গভীর রাতিত্রে দুড় – …

Bikash chandra Mandal Read More »

Ataul Hakim

ওগো রজনী আতাউল হাকিম আরিফ রজনী, কতদিন তোমাকে দেখিনি….মেঘনার কুল ঘেঁষে হেঁটে গেছি বহুদূর,পৌড়তার আলো-অন্ধকার বিভূঁইয়েআজো আমার হৃদপিণ্ডে খুঁড়ে চলেছিআগুনপিণ্ড-তোমার সেই মুখ! তুমি এক আশ্চর্য জিনিস-মহাদ্যূতির মত বিচ্ছুরিত তোমার চোখ-ক্ষিপ্ত নদীর মতো বয়ে চলে অবিরাম।ভোগবাদী পুরুষ কে পরাজিত করে…আর কতদিন পালিয়ে বেড়াবে তুমি!ওগো রজনী!

Baridbaran Gupta

আকাশটা আজ উদাস নয়নে চেয়ে নক্ষত্রের দেশে বারিদ বরন গুপ্ত মধ্যযুগীয় আঁধার খুঁজে আতঙ্কের ছায়া,ভন্ডামী আর বর্বরতা !একদিন কেড়েছিল সব আলোপাতালপুরীর নির্জন তপস্যায়! আঁধারের পথ বেয়ে এসেছিল জ্ঞান বিজ্ঞান দর্শন আলোকিত প্রাণ!আলোর ঝর্ণায় খুঁজেছিল পেতপুরীর রহস্যনেচেছিল পৃথিবীর প্রান! আজও কেন আলো কাড়ে বারে বারে?আঁধার দেবতা বাড়েইতিহাসের পাতা নাড়েকাড়ে পৃথিবীর প্রাণ! একদিন পৃথিবীটা আলোয় ভেসেছিলআকাশটা ও …

Baridbaran Gupta Read More »

Ataul Hakim

তুমি-আমি, কবি এবং কবিতা আতাউল হাকিম আরিফ তোমাকে-অন্তঃকরণে বিদায় বলছিতুমি- বহুদূর হেঁটে হেঁটে চলে যেতে পারোঝিঁঝি পোকার ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে,এবং দেখবে মাথার উপর প্রকাণ্ড নীল আকাশ! আমিও নিশ্চিত ভেবে নিয়েছিকিছু সময়ের জন্য সন্ন্যাসী হবোকিংবা তুমি ধরে নিতে পারো আমি মৃতআমার অস্তিত্বের চারপাশে ভীষণ অন্ধকার!আমি চোখ মেলবো না-শুকনো ফুলগুলো কিছুসময় বেঁচে থাকুক! এবংরোদ্দুরে প্রেমহীন মানুষেরাচন্দনের গন্ধে …

Ataul Hakim Read More »

Sonjit Tirky

ব‍্যাধের গুপ্তধন জ্ঞান লাভের জন‍্য বড়,ছোট,উচ্চজাতি,নিম্নজাতি বিচার মূর্খতা মাত্র।উপনিষদেও আমরা দেখতে পাই যে,ব্রাহ্মণ শ্বেতকেতু ক্ষত্রিয় প্রবাহন জৈবলির কাছ থেকে জ্ঞান লাভ করেছিলেন।নীচবৃত্তিসম্পন্ন ব‍্যাধের যে জ্ঞান তা উচ্চবৃত্তিসম্পন্ন ব্রাহ্মণ বংশের কৌশিকের ছিল না।তাই বলতে পারি আমরা স্বকর্মে প্রতিষ্ঠিত থেকে সেই সূক্ষ্ম জ্ঞান লাভ করতে পারি।পুত্রেরা মাতা ও পিতার যে শূশূষা করে,স্ত্রীলোকের ভর্তার যে পরিচর্যা করে এবং …

Sonjit Tirky Read More »

Bikash Chandra Mandal

” ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটাযম দুয়ারে পড়ল কাঁটা । “ বিকাশ চন্দ্র মণ্ডল শাস্ত্র মতে মৃত্যুর দেবতা যম তার বোন যমুনার হাতে ফোঁটা নিয়েছিলেন। অন্য মতে নরকাসুর নামে এক দৈত্যকে বধ করার পর যখন কৃষ্ণ সুভদ্রার কাছে আসেন তখন সুভদ্রা তার কপালে চন্দনের ফোঁটা দিয়ে তাকে মিষ্টি খেতে দেন। সেই থেকে এই রীতির প্রচলন হয়।এই …

Bikash Chandra Mandal Read More »

Subhash Chandra Sutradhar

“বাস্তব সুপারম্যান” সংকলনে সুভাষ চন্দ্র সূত্রধর বাবা!সাদা পাতায় যথেচ্ছা লিখনের কলম;যেন কাটা-পোড়া-ভাঙ্গা-মচকার মলম। বাবা সেই যার পরিচয়ে প্রথম নিজেকে চেনা,সর্বস্তরে জয়ী হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ধ্বনিত সেনা।বাবা হলো সকল আবদারের নিরাপদ পাত্র,যেন দায়িত্বশীল শিক্ষকের নির্ভরযোগ্য ছাত্র।বাবা হলেন পুরোনো ড্রেসের নূতন মনোভাব,যিনি দেখতে দেননা সন্তানেরে কোনো অভাব।হাত ঘড়িটা যার হাতেই হয় বৃদ্ধ,রোজগারে যার ভাগ বসানো আজীবন সিদ্ধ।যিনি …

Subhash Chandra Sutradhar Read More »