Month: December 2021

বিলুপ্তির পথে বাংলা সংস্কৃতি

বিলুপ্তির পথে বাংলা সংস্কৃতি ✍️মোবারক মন্ডল আমরা বাঙালি। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। প্রত্যেকটা জাতির বা দেশের নিজ নিজ সংস্কৃতি রয়েছে। যার উপরে সেই জাতির বা দেশের পরিচয় বহন করে এবং অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র দেখায়। যখন কোন জাতি সেই সংস্কৃতিকে ভুলে যায় বা অন্য কোন জাতির সংস্কৃতি মিশ্রণ ঘটে তখন সেই জাতি তার স্বতন্ত্রতা হারিয়ে ফেলে। জাতিগতভাবে …

বিলুপ্তির পথে বাংলা সংস্কৃতি Read More »

#২০২২_এর_শুভকামনায়

শিরোনাম : #২০২২_এর_শুভকামনায়
কলমে : কেয়া চক্রবর্তী
তারিখ : ৩১.১২.২০২১

পুরানো বছরের না ভোলা কত স্মৃতি,
মনে পড়ে যায় কত শত অনুভূতি,
একটা বছর শেষ হতে কিছু সময়ের অপেক্ষা,
নতুন বছর আনবে ভালো কিছু করি তারই প্রতীক্ষা।।

এবছরের ভুলগুলো সব শুধরে নিতে হবে,
এই মহামারীর বিপদ জানিনা যাবে কবে?
মনের মাঝে চলতে থাকে নানা প্রশ্নের আনাগোনা,
সেই সব প্রশ্নের উত্তর যদিও সবই অজানা।।

জানিনা আনবে বয়ে কি নতুন বছর?
কাটতে চায়ই না অপেক্ষার এই প্রহর,
কত আপনজনদের হারিয়ে ফেলেছি এবছর,
হারিয়ে ফেলেছি তাদের ভালোবাসা ও আদর।।

নতুন বছর দিচ্ছে উঁকি, কিছু সময়ই রয়েছে তার বাকি,
খুশির এই মুহূর্তে আমরা যেন সজাগ, ও সতর্ক থাকি,
নতুন বছর জাগায় সবার মনে নতুন আশার আলো,
কেটে যাক চারদিকের অমানিশার কালো।।

বছরের শুরুতে যারা ছিল আশেপাশে,
আজ কেউ চলে গেছে দূরে, কেউ আছে পরে পাশে,
আগামীতে ভালোবাসা, স্নেহ, মায়া, মমতার পরশ যেন সবাই পাই,
আগামী বছর কাটুক সবার ভালো এই শুভকামনা প্রতি মুহূর্তে জানাই।।

#২০২২_এর_শুভকামনায়
©কেয়া চক্রবর্তী®

বর্ষ বিদায়

#বর্ষ বিদায়#প্রদ্যোৎ কাঞ্জিলাল#১৫ইপৌষ১৪২৮#৩১/১২/২০২১******************আসছে বছর চাকায় ঘুরেজীর্ণতার সব যায় দূরে দূরে সরেবিভীষিকার গোপন অভিসারে পর্যুদস্ত হয়েছে বারেবারেমানব সভ্যতা পড়েছে সংকটে হৃদয়ে হেনেছে আঘাত বারে বারেসুখ স্মৃতি রয়ে যায় স্মৃতি পটে। সময়ের বন্ধনে বর্ষ ধরে রাখা কঠিন নিগড়েচলে যেতে দিতে হয় তারে বারে বারেজানাই আগামীর শুভেচ্ছা হৃদয়ের আঙিনায়অচেনা অজানা আশঙ্কায় হৃদয় উঠেছে কেঁপেবিমল মনের অধিকারী হয়ে ওঠো …

বর্ষ বিদায় Read More »

উইলিয়াম রদিচি- এক রবীন্দ্র মগ্ন অনুবাদক

ইংরেজি-ভাষায় রবীন্দ্র-চর্চার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন যাঁরা, ব্রিটিশ কবি ও রবীন্দ্র-অনুবাদক উইলিয়ম রাদিচি
(William Radice) তাঁদের অন্যতম।

বাঁশ বাগান

মাঠ পেরিয়েই সামনে বাশঁ বাগান।মাথার উপর আমাবস্যার চাঁদ। সেই চাঁদের আলোয় সফিক নামের এক যুবক এক অজানা রহস্য ভেদ করতে যাচ্ছে।
হঠাৎ করেই প্রবল বেগে বাতাস বইতে লাগলো চারদিকে।সফিক এর জায়গায় অন্য কেউ থাকলে প্রচন্ড ভয় পেত।কিন্তু সফিক সাহসী ছেলে।শহরে ইন্টারমেডিয়েট পরিক্ষা দিয়ে গ্রামে বেড়াতে আসছে।
গ্রামীণ জীবনকে সে উপভোগ করার সময়টুকুও পেলো না।ছোট থেকেই পরিবারের সাথে শহরে বসবাস করে সফিক। গ্রামে দাদী আর চাচারা থাকে।সফিককে গ্রামে আসার জন্য অনেকবার বলেছে,তার দাদী।কিন্তু সফিকের আসার তেমন সুযোগ নেই।
ইন্টারমিডিয়েট পরিক্ষা দিয়ে অবসর সময় কাটাতে লাগলো সে।পরিবারের চাপে বাধ্য হয়ে গ্রামে আসতে বাধ্য হলো।
সফিক গ্রামে এসেছে আজ ২ দিন হলো।
গ্রাম তার খুবই ভালো লাগতে শুরু করলো
গ্রামের পাশের নদীর তীর দিয়ে কেনো জানি তার হাঁটতে খুব ভালো লাগে।
হঠাৎ একদিন হাঁটতে হাঁটতে গ্রামের উওর দিকে যাত্রা শুরু করলো।ঐ দিকে সচরাচর কেউ যায় না।
সফিক একটা মাঠের মধ্যে দিয়ে হাঁটতে শুরু করলো।মাঠ পেরিয়েই সামনে বিশাল বাঁশবাগান।
তারপরই অন্য এক গ্রাম।
এদিকে অনেক বেলা হয়ে গেছে এখনো সফিক বাড়ি আসতেছে না দেখে অস্থির হয়ে খুঁজতে বের হলো সফিকের চাচা।
একজনকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলো,সফিক উওর দিকে যাচ্ছে।
সফিকের চাচার মুখ বিমর্ষ হয়ে পড়লো।
সে অনেক কষ্টে দৌড়ে সফিককে আটকালো।
ঐ দিকে যাস না রে সফিক।ঐ এলাকা খুবই খারাপ।
খারাপ হবে কেনো, চাচা।সামনে বিশাল বাঁশবাগান দেখা যাচ্ছে।
ঐ বাঁশবাগানের মধ্যে অনিন্দ্য এক সুন্দরীর দেখা পাওয়া যায় রাতের বেলা।
যারা এই মেয়েকে দেখেছে তারা অনেক কষ্টে পালিয়ে এসেছে। ঐ দিকে যাওয়া ঠিক হবে না।চল বাড়ি যায়।
সফিক বাধ্য ছেলের মতো, বাড়ি চলে আসলো।
বিকাল বেলা সে ভাবতে লাগলো,
আসলেই কি কোনো সুন্দরী মেয়েকে এখানে দেখা যায়,নাকি বানোয়াট কথা।
যেভাবে হোক আমাকে দেখতে হবে।
এই মূহুর্তে চাচা বলল,সফিক তুই থাক,
আমি একটু অন্য এলাকায় যাবো।
আসতে আসতে মধ্য রাত হয়ে যাবে।
এই সুযোগ সফিকের জন্য।
সন্ধার পর দাদীর কাছে বাহিরে বের হওয়ার কথা বলে,হাতে একটা টর্চ লাইট নিয়ে উওরের দিকে হাঁটা শুরু করলো।মাঠ পেরিয়ে বাঁশ বাগানের ভিতর প্রবেশ করলো সে।চারদিকে নিস্তব্ধ। আরেকটু সামনে এগোতে লাগলো,হঠাৎ করে প্রবল বেগে বাতাস বইতে লাগলো।
তবুও সামনে এগোলো সে হঠাৎ করে বাতাসে একধরনের সুর বাজতে লাগলো।সফিক কান পেতে শুনতে লাগলো।
তবুও সামনে সে এগোতে লাগলো,
হঠাৎ করে পিছন থেকে একটা মিষ্টি কন্ঠ ভেসে আসলো,,কোথায় যাবেন?
পিছনে ফিরতেই সফিকের সারা শরীরে শিহরণ বয়ে গেলো।
এত সুন্দর মেয়ে সে আগে কখনো দেখিনি।
সে কি পৃথিবীর মানুষ নাকি অন্য কিছু।

পুনশ্চঃ সকালে সফিকের মৃতদেহ খুঁজে পায় গ্রামবাসীরা।

জীবন সায়াহ্ণে

জীবন সায়াহ্ণে
(কবিতা)
-শেখ মোহাম্মদ হাসানূর কবীর
সুবেহ সাদেক কিংবা তারও একটু পরে
মসজিদে মোয়াজ্জিনের কণ্ঠে যখন ধ্বনিত হবে-
‘ঘুম থেকে নামাজ উত্তম’,
সুতরাং ঘুম ভেঙ্গে চলে এসো
চলে এসো হে যুবক,
পৃথিবীর এ অনন্ত কারাগার ভেঙে
চলে এসো দ্যুতিময় প্রশান্ত জীবনের খোঁজে।
সেদিন হয়তো আমার
অন্য আর সবদিনের মতো
থাকবে না ব্যস্ততা,
থাকবে না সকালের সুখঘুমের ব্যাকুলতা।
আমার নিথর দেহ ঘিরে
কেবলই প্রশ্ন মৃদু কোলাহল গুঞ্জন
পাড়া প্রতিবেশীর অহেতুক বাড়াবাড়ি
সীমাহীন বন্দন।
দিকে দিকে বিজ্ঞাপিত হবে
আমার বিদায়ের বারতা-
আপন জনের ত্রস্ত হাকাহাকি,
শাড়ির আঁচলে মুখ ঢেকে
প্রেয়সীর ক্রন্দন।
অতঃপর, কবরে শায়িত মৃতদেহ ঘিরে
একমুঠো কাঁচা মাটি হাতে
শত সহস্র আগন্তুক সমস্বরে গেয়ে যাবে
স্রষ্টার প্রতিশ্রুত অমোঘ সংগীত-
‘মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি,
মাটিতেই আমি তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেবো
এবং মাটি থেকেই তোমাদেরকে পুনরায় বের করে আনবো’।
অথচ, সেই আমি এ সত্যকে ভুলে
এতোটা বছর পেরিয়ে এলাম
একটি বারের জন্যেও ভেবে দেখিনি-
এ ঠুনকো জীবনের তরে কেনো গড়ি এতো উপমা?
কেনো এতো বেসাতি?
কেনো অহেতুক দীর্ঘশ্বাস বিরহ প্রণয়ে?
জীবন সায়াহ্ণে এসে আজন্মের জিজ্ঞাসা আমার
অজস্র বেদনা ক্ষত ভগ্ন হৃদয়ে।

শুকনো পাতা

#শুকনো পাতা#প্রদ্যোৎ কাঞ্জিলাল#১৩ইপৌষ,১৪২৮#৩০/১২/২০২১******************বিবর্ণ শুকনো পাতায় লেখা থাকে বছরের ইতিহাসএকেকটা খসে যাওয়া পাতা একেকটা দিনের লিখে রাখা নামচাতবুও ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে খসে যাওয়া একেকটা দিনস্মরণীয় স্মরণিকা তুমি হলে আজ মলিনবিবর্ণ খসে যাওয়া পাতা আজ ইতিহাস। স্মরণাতীত কাল থেকে নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা আমি সেই বৃক্ষদিয়ে চলেছি আমি তার অস্তিত্বকিন্তু প্রবাহিত জীবনের ইতিহাস লেখা থাকে পাতায়খসে যাওয়া …

শুকনো পাতা Read More »

লিটিল ম্যাগাজিন আলোচনা – তৈমুর খান

শরৎকালীন পত্রিকাগুলি তৈমুর খান শারদীয়া সংখ্যা কিছু লিটিল ম্যাগাজিন নিজস্ব বৈশিষ্ট্যেই স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছে। মেধা,মনন, শ্রম ও রুচির দিক দিয়ে এই লিটিল ম্যাগাজিনগুলি সময়কে অতিক্রম করে একসময় ইতিহাস হয়ে উঠবে। হয়তো কোনো গবেষকের কাছেও তা গবেষণার বিষয় হবে। আজকের আলোচনায় এরকমই কয়েকটি পত্রিকা। ১ আন্তর্জাল শারদ সংখ্যা ‘আন্তর্জাল’(১৪২৮) বের হয় সুদূর পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল থেকেে। খুব …

লিটিল ম্যাগাজিন আলোচনা – তৈমুর খান Read More »

লিটিল ম্যাগাজিন আলোচনা

  শরৎকালীন পত্রিকাগুলি তৈমুর খান শারদীয়া সংখ্যা কিছু লিটিল ম্যাগাজিন নিজস্ব বৈশিষ্ট্যেই স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছে। মেধা,মনন, শ্রম ও রুচির দিক দিয়ে এই লিটিল ম্যাগাজিনগুলি সময়কে অতিক্রম করে একসময় ইতিহাস হয়ে উঠবে। হয়তো কোনো গবেষকের কাছেও তা গবেষণার বিষয় হবে। আজকের আলোচনায় এরকমই কয়েকটি পত্রিকা। ১ আন্তর্জাল শারদ সংখ্যা ‘আন্তর্জাল’(১৪২৮) বের হয় সুদূর পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল …

লিটিল ম্যাগাজিন আলোচনা Read More »