Month: November 2021

এম্পটিনেস্ থেকে নাথিংনেস্ আয়ু রচনার অনন্তপ্রজ্ঞা – তৈমুর খান

সরল! সরল! ও সরল! হ্যাঁ, আমি সরলকে ডাকছি। এই নির্জনে এসে বসেছি।চারিপাশে খড় জমা করা আছে। মাঝখানে ফাঁকা জায়গায় রোদ পড়েছে। খড়ের ওপর শরীর এলিয়ে দিয়েছি। হ্যাঁ মাঘ মাস। আর আজ মাঘের প্রথম দিন। আমার জন্ম হয়েছিল এই দিন সকাল এগারোটা নাগাদ। ধাই-মা নাড়ি কেটে আমাকে এই খড়ের ওপরেই শুইয়ে দিয়েছিল। আর সূর্যের রোদ এসে …

এম্পটিনেস্ থেকে নাথিংনেস্ আয়ু রচনার অনন্তপ্রজ্ঞা – তৈমুর খান Read More »

আর্টভার্স’-এর অভিনব উদ্যোগ – সিদ্ধার্থ সিংহ

কবিতার সঙ্গে ছবির সম্পর্ক নিয়ে কবিদের একটি সুন্দর আলোচনা এবং কবিতা পাঠের আসর হয়ে গেল বিড়লা আর্ট অ্যান্ড কালচারে। ৭০ জন শিল্পীর ১৭০টি চিত্র, স্থিরচিত্র এবং ভাস্কর্য নিয়ে ছ’দিন ব্যাপী যে বর্ণময় প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল ‘আর্টভার্স’, তার শেষ দিনে। বিশিষ্ট শিল্পী রিন্টা চক্রবর্তী, নুপুর মিত্র, আমি সৃজিতা, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য, তানিয়া সান্যাল, রোমি ভট্টাচার্য, বীরেন্দ্র সাঁতরা …

আর্টভার্স’-এর অভিনব উদ্যোগ – সিদ্ধার্থ সিংহ Read More »

Alamgir Syed Shahjada

তেপান্তরের মাঠ,প্রবক্তা সাধু।—————–হিজলতলীর বিল পেরিয়ে তেপান্তরের মাঠমাঠের পাশে কাজলা নদী পারাপারের ঘাট,ঘাট পেরিয়ে ওপার গেলে উজান চরের হাটহাটে আছে হরেকরকম মালের দোকানপাট। তেপান্তরে মাঠের মাঝে হিজল গাছের ছাঁয়েবাজায় বাঁশী রাখাল ছেলে চৈতী গরম বায়ে,সুর ভেসে যায় অনেক দূরে বনমালীর গাঁয়েসেদিকপানে ধায় বঁধুয়া আলতা রাঙা পায়ে। তেপান্তরের মাঠে ছিলো ডাকাত দলের ঘাঁটিতাদের ছিলো ছুরি চাকু মোটা …

Alamgir Syed Shahjada Read More »

#প্ৰথম_দেখার_প্রতিশ্রুতি

শিরোনাম : প্ৰথম দেখার স্মৃতি
কলমে : কেয়া চক্রবর্তী

সকাল থেকেই আকাশের মুখ কেমন ভার,
মনের মাঝেও হচ্ছে আজ ভীষণ তোলপাড়,
কেমন করে ভুলি আমি সেই স্মৃতি,
প্রথম দেখার পরে যা জাগিয়েছিল মনে অনুভূতি।।

লিখতে গিয়ে ভাবছি বসে তোমার কথা লিখি আমি কি
তোমার আমার বন্ধুত্বে আছে স্বাদ টক, ঝাল, মিষ্টি।।
কোন কথাটা লিখবো সেটাই ভাবি এখন,
কেমন করে হলো এই বন্ধুত্বের শুরু তখন।।

মনে পড়ে চৈত্রের সেই ভীষণ দহন দিন
তোমার সঙ্গে হয়েছিলো দেখা আমার যেদিন।।
“তোমার চোখেই দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ”,
মনের মাঝে জেগেছিলো অদ্ভুত এক আশ,

তোমার পড়নে ছিল লাল টিশার্ট,
তুমিও ছিলে মাত্রাতিরিক্ত স্মার্ট।।
মুখে তোমার ছিল এক চিলতে হাসি,
সেবার মনোভাব দেখে লেগেছিলো ভালো বেশি।।

যতই তোমার সাথে বলতে কথা আমি চাইনি,
মন কেড়ে নিচ্ছিলো তোমার আড়চোখের চাহনি।।
তার সাথে তোমার মিশুকে স্বভাব,
একনজর দেখলে মনে হবে তোমার সঙ্গে আমার কতদিনের ভাব।।

মার্কেটিং ভালোই জানো, দেখছিলাম আমি তাই,
কথার ওপর কথা বলে পাচ্ছিলে খুব মজাই,
যতই বলি তোমার সাহায্যের দরকার আমার নেই,
এগিয়ে এসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছিলে ততটাই।।

বুঝতে পারছিলাম কথা বলার সুযোগ তুমি খুঁজছিলে,
আমিও ভাবলাম কি আর যাবে একটু কথা বললে,
সেইযাত্রায় করলে তুমি অনেক উপকার,
আসতে আসতে কথা বলা শুরু হলো বারবার।।

দেখতে দেখতে বন্ধুত্ব উঠলো ভালোই গড়ে,
প্রিয় বন্ধু হয়ে গেলে বুঝতে পারলাম অনেক পরে।।
আমাদের ঝগড়া খুব হয়, টম আর জেরির মতোই,
যতই করি ঝগড়া তবু সুখে দুঃখে একে অপরের পাশে রই।।

ভালো থেকো সবসময়ই প্রিয় বন্ধু আমার
বন্ধু নামের মর্যাদা তুমি রেখো এভাবেই বারবার।।
আজ বন্ধু দিবসে কত স্মৃতি পড়ে যায় মনে,
সুস্থ থেকো সবসময়ই থাকো তুমি যেখানে।।

প্রথম দেখার সেই স্মৃতি বড়ই মধুর ছিল,
ভাবিনি তখন যখন তোমার সাথে দেখা হয়েছিল।।
মন খুলে মনের সব কথা তোমায় বলতে পারি,
ভালো কিংবা মন্দ, রাজনীতি, বা গল্পগাছা সব বিষয়েই চর্চা করি।।

সম্পর্কটা ঠিক রক্তের নয়, তবুও ভীষণ টান,
এক সাথে হাসি, ঠাট্টা, মান – অভিমান।।
বন্ধুর প্রতি দিনে দিনে বেড়েছে, বিশ্বাস ও ভালোবাসা,
এইভাবেই পাশে থেকো আজীবন করি মনে মনে সেই আশা।।

ভাবিনি কখনো তুমি হবে এতো আপন,
তোমার সঙ্গে উঠবে গড়ে এমন সুদৃঢ় বন্ধন।।
বিপদে পড়লে তুমি যোগাও ভরসা,
সব ঠিক হবে এত ভাবিস না, মনে জাগায় অনেক আশা।।

সম্পর্কটা ঠিক জানিনা কেমন তবুও বড় আপন মনে হয়,
পরিবারের সদস্যসম, তবুও মাঝে মাঝেই হারিয়ে ফেলার ভয়।।
এমনভাবেই আমাদের বন্ধুত্বের দৃঢ় হোক বন্ধন,
বিনি সুতোয় গাঁথা এই বন্ধন চিরন্তন।।

©কেয়া চক্রবর্তী®

গোলাপ বেণী আকাশমুখে – ড: ময়ূরী মিত্র

মেয়েটি বাঙালী হলেও সুদূর অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম তার | অস্ট্রেলিয়া থেকেই তার মায়ের সাথে আমাদের স্কুলে এসেছিল | উদ্দেশ্য তার জন্মদিনটা সে কাটাবে আমাদের স্কুলের বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন বাচ্চাদের সাথে | তাদের কিছু খাবার খাওয়াবে | মেয়েটির সেবার পাঁচ পুরবে | দেখলাম খুব অনায়াসে বাংলা বলছে সে | কোনো শব্দ আটকে গেলেও তৎক্ষণাৎ সংশোধন করে নিয়ে বাংলাই বলছে ফের | সেজেছেও সে বাঙালিনীর মতো | বড় চুলে একটি লাল টকটকে গোলাপ | তার যা বয়স তাতে সে বেশ বুঝে গ্যাছে, সে যে স্কুলটিতে আজ এসেছে সেখানকার বাচ্চারা কেউ তার মতো স্বাভাবিক বা স্বচ্ছন্দ নয় | নয় কেউ কথা বলতে পারে না , নয় কেউ কমবুদ্ধি বাচ্চা |

#মনুষ্যত্ব_বিসর্জিত

শিরোনাম : #মনুষ্যত্ব_বিসর্জিত
কলমে : কেয়া চক্রবর্তী
তারিখ : ২৫.১১.২১

আকারে প্রকারে মানুষ হলেই,
হয় কি কেউ আর মানুষ?
যদি না থাকে তাদের
কোনোই মান আর হুঁশ?

মানুষ হয়েও যদি থাকেনা
তাদের মনুষ্যত্ব, কোনোই
পশুর থেকে তারা উন্নত
হতে পারে কি প্রকারেই?

কিছু প্রশ্ন এমনই সব
মনের মাঝে করে আনাগোনা,
যখন দেখি আদতে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব,
কিন্তু মনে পুষে রেখেছে যত আবর্জনা।।

যারা করে একটু ভালো আচরণ,
পশুরা তাদের জন্য দিতে পারে প্রাণ,
মানুষ অতি ঘৃণ্য জীব বটে,
উপকারীর উপকার মিটলে দেয় না কোনোই মান।।

যখন দেখি সদ্যোজাত শিশুকে,
সারমেয় রেখেছে আগলে,
কন্যাসন্তান হয়েছে তাই,
মানুষ আস্তাকুঁড়েতে দিয়েছে ফেলে।

প্রভুভক্তির পরাকাষ্ঠায় পশুরা,
রয়েছে আজও এগিয়ে,
মানুষই কেবল, প্রয়োজন মিটলে
বদলে যায় একনিমেষেই।।

বদলে গিয়ে মানুষ আজ
পশুর পর্যায়ে নিয়ে গেছে,
মনুষ্যত্ব দিয়ে বিসর্জন,
আজ স্বার্থকেই আপন করেছে।।

স্বার্থ শেষ হয়ে গেলে,
ফিরে দেখে না নিজের পিতামাতাকে,
যাঁদের কারণেই এই পৃথিবীর দেখেছে আলো,
বয়স হলেই, অযত্ন, আর অবহেলা করে তাঁকে।।

নিজের কাজ করতে হলে
তোমার পা চাটতেও পারে,
কাজ মিটে গেলেই কে তুমি?
তোমায় চিনতেও কষ্ট বাড়ে।।

সম্পত্তির জন্য ভাই ভাইয়ে
করে মারামারি, লড়াই,
তারাই নাকি শ্রেষ্ঠ জীব,
করে কিসের জন্য বড়াই?

নারী, শিশু, কন্যাসন্তান
এদের মানুষ মনে করতে লজ্জা পায়,
প্রত্যাখ্যান করলে অ্যাসিড মারে ছুঁড়ে,
তুমি নাকি মানুষ, এই কি তোমার পরিচয়?

পথে ঘাটে যখন তখন করো
নারীদের অসম্মানিত,
গরিব, দুঃখী, অনাথ শিশুদের,
করো প্রতিপদে লাঞ্ছিত।।

নিজ আত্মগরিমা ভুলে করে,
এমন সব আচরণ,
মনের মাঝে প্রশ্ন জাগে,
এঁরা কি মানুষ, না হয়েছে পশু, কি তার কারণ?

©কেয়া চক্রবর্তী®

দেখা হলো আবার

শিরোনাম : দেখা হলো আবার
কলমে : কেয়া চক্রবর্তী

বছর পাঁচেক পর,
দেখা হলো তোমার সাথে আমার,
যখন আমি আসছি দেখে করতালি দিচ্ছে
মুহুর্মুহু সবাই,
তুমি এগিয়ে আসছো হাতে নিয়ে ফুলের মালা,
পরাতে আমার গলায়,
জেলার কালেক্টর এখন আমি,
তাই তো এই বর্ণাঢ্য আয়োজন,
আর পাঁচজনের মতো তুমি এখন আমার অধীনস্থ আমলা,
তাই নতুন মনিবকে করতে এসেছো বরণ,
মুখোমুখি দেখা হবে ভাবিনি কখনও,
দেখা হতেই উঠলো জেগে পুরানো সকল ক্ষত,
নিয়ে গেলো ফিরিয়ে আমায় অতীতের সেই কানাগলিতে,
মুহূর্তে বদলে গেলো তোমার হাসিমুখ,
চেয়ে রইলে এক দৃষ্টিতে আমার মুখের পরে,
হাতের মালা রইলো তোমার হাতে,
উদাসী হয়ে রইলে তুমি আচম্বিতে,
ভূত দেখলে নাকি,
মনে আসছিল সেই প্রশ্ন,
কোনদিন ভেবেছিলাম তোমার আমার হবে সুখের সংসার,
একদিন চেয়েছিলাম তোমার হাতেই পরতে গলায় মালা,
সেই স্বপ্ন হয়নি আমার পূরণ,
আজ সেসব অতীত,
আজ তুমি অন্য কারোর বর,
হাসি খুশি তোমাদের দুজনের সংসার,
আমি এখন কেবলই তোমার প্রাক্তন।।

একটু আগেই তোমার বউ এসেছিলো আলাপ করতে,
তোমার প্রশংসায় হয়ে গদগদ,
বলছিলো, ভাগ্যিস সেদিন বাবা তোমার মত
ব্রিলিয়ান্ট ছেলের বিলেত যাওয়ার খরচ দিয়েছিলো,
নাহলে আজই কি সে আর এইভাবে আমার সাথে আলাপ করতে আসতে পারতো,
জানো সেদিন তোমার ওপর বড্ড হয়েছিল রাগ,
নিজের স্বপ্ন যখন যাচ্ছিলো চোখের সামনে একটু একটু করে ভেঙে,
মনে মনে কত তোমায় দুষেছি,
ভগবানকে ও অনেক কথা বলেছি,
সইতে পারিনি সেদিনের সেই যন্ত্রণা,
বামুন হয়ে চাঁদের নাগাল যে পাওয়া যায় না,
বুঝিয়ে দিয়েছিলে তুমি হাবেভাবে,
মন ভাঙার যন্ত্রণাতে করেছি আমি ছট্ ফট্
তুমি তখন বরের বেশে যাচ্ছো করতে রাজ্য ও রাজকন্যা পাওয়ার লোভে,
বিলেত যাওয়ার খরচ পাবে বলে,
তাই তো এক লহমায় পারলে আমায় দিতে ঠেলে দূরে,
ভালোবাসার স্বপ্ন আমার চোখের থেকে মুছে দিলে ,
হঠাৎ করে পড়লো পুরানো কথা মনে,
ভাবিনি আবার দেখা হবে কখনো এইভাবে তোমার সঙ্গে,
তোমার হাতের মালা আমার জয়ের মালা হবে,
সেদিনের সেই অপমানের মধুর প্রতিশোধে এভাবে ও নেওয়া যাবে।।

দূর থেকে দেখছো তুমি আমার বৈভব,
একদিন যার অভাবেই দিয়েছিলে আমায় তুমি ছুঁড়ে,
আজ সেই চোখ ধাঁধানো প্রতিপত্তি দেখে
কেন করুণ তোমার হাসিমুখ,
মুহূর্তেই তোমার মুখের রঙ গেছে বদলিয়ে,
আমি তখন মুচকি হাসছি, তোমার দিকে তাকিয়ে,
ভাগ্যিস সেদিন আমায় তুমি
চাওনি করতে বিয়ে,
তাই তো আজকে আমি নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে,
নাহলে আজ আমি তোমার গৃহিনী হয়েই থাকতাম গৃহবন্দী,
এর চেয়ে এই ভালো আমি আজ তোমার মনিব পদে আসীন,
ভগবান তোমার বিচার বুঝতে পারিনা আমরা তৎক্ষণাৎ,
আমার এই উত্তরণের জন্য মনে মনে তোমায় জানাই ধন্যবাদ।।

©কেয়া চক্রবর্তী®

Alamgir Syed Shahjada

ইশারার ভাষাপ্রবক্তা সাধু।—————–হয়তো তুমি চালাক নয়তো অনেক বোকাসত্য প্রেমের ইশারাকে ভাবছো তুমি ধোঁকা।পারবনাতো ছুঁতে জানি দূর আকাশের শশীতার ইশারায় তবুও দেখি বারান্দাতে বসি।নীল পারাবার ইশারাতে ডাকবে যদি কাছেডুব সাঁতারে মত্ত হবে এমন লোকও আছে।পাঁপড়ি মেলে সুবাস ঢেলে মৌন ইশারাতেহাস্নাহেনা শিউলি বকুল ডাকে প্রাতে রাতে।বাঁকা চোখের ইশারাতে আছে অনেক মানেপ্রেম করেছে যারা শুধু তারাই সেটা জানে।সারা …

Alamgir Syed Shahjada Read More »

দেবব্রত কয়াল

           অসহায়
     দেবব্রত কয়াল
জীবন যুদ্ধে সময়ের সাথে, 
যত খানি এগিয়েছি বন্ধু ।
কামিনী কাঞ্চনে আশক্তি,
নিয়ে এসেছে যত দুঃখ ।

যুদ্ধ সম্পত্তি বিস্তারের নয়..,
কঠিন লড়াই, নিজেকে জানা.. ।
চাওয়ার সাধনায় পূর্ণতা যখন..,
নতুন চেতনা বিচলিত করেছে।

কখনো শান্তো বাতাসে মাঝি ,
পাল তুলে দাঁড় বইছে দুলে।
কখনো দোমকা  ঝড়ো হাওয়া..,
মাঝি পাল নামাতে দিশেহারা।

কর্তব্যের পুঁটলি সঙ্গে বেঁধে,
ছুটে চলেছি অজানার দেশে ।
এইভাবে অনেক খানি মেঠো পথ… ,
পায়ের ধুলায় হারিয়েছে  কতো স্মৃতি ।

সবাই জিতে নিতে চেয়েছে।
নিজেকে প্রমান করতে চেয়েছে। 
আঠারোর মায়া জাল না বুঝে ,
হারিয়ে গেছে সব সময়ের স্রোতে।

জীবনের মূল্যায়ন যখন করছি,
মায়ার চাদরে ঢেকেছি চির সনাতন।
কখনো রুটি জলে ধর্ম হারিয়েছি…,
যাঁকে ছোঁয়া যায় না শুধুই অনুভবে।

সময় হয়নি এখনো অনেক বাকি,
দেহের সংস্কার শেষ হলে  বিদায় ।
শ্রেষ্ঠ পথে ভ্রান্তির মিশ্রণ না ঘটে,
প্রকৃত বিজয় অনুরাগে…।

তুমি অনু জীবে প্রবেশ করে,
ভবের ভার করছ হরণ… ।
নিজের চাহিদা পূরণে জীবন,
আজ যেন প্রলয় নৃত্যে অসহায় …।।

#খুঁজে_ফেরে_মন

শিরোনাম : #খুঁজে_ফেরে_মন
✒কেয়া চক্রবর্তী

আমরা সবাই খুঁজি একটা “তুই” ঠিক মনের মতন,
যাকে রাখতে পারি, মনের কোণে, অতীব করে যতন।।

তেমন একটা “তুই” সবার জীবনে বিরল,
জীবনটা দেখতে যতই লাগুক না সরল,
মনের মতো মানুষ পাওয়া সোজা নয়,
যে না বলতেই বোঝে অপরের হৃদয়।।
মন সেই অর্থে এক জটিল ধাঁধা,
খুঁজি উত্তর যার, পাই কেবলই বাঁধা।।
এমন সুজন খুঁজে ফেরে পাগলপারা মন,

বলতে পারো কোথায় গেলে পাবো খুঁজে এমন রতন?
যার হৃদয়ে রাখবে আমায় মুক্তোর মতো করে যতন।।

#খুঁজে_ফেরে_মন
©কেয়া চক্রবর্তী®