Month: April 2021

অনাথ

অনাথ অমিতাভ মুখোপাধ্যায় আমরা সকলেই এখন অনাথ সময় থাকতে সময়ের মূল্য বুঝিনি সব কিছু উড়িয়ে দিয়েছি ফুৎকারে এখন দিয়েছি লাইন হাসপাতালে কারও চাই টিকা কারও অক্সিজেন দুটিই বাড়ন্ত রাজা থেকে প্রজা দায় উভয়েরই সময় শুধু বলবান বাকী সব ঢাল হীন নিধিরাম সর্দার l

টয়া

টয়া লেখক-অমি রেজা। ২৬-০৪-২০২১ ————————– টয়া,ওওওও টয়া। কি, এত করে ডাকছ কেন। আমি কি তোমার বিয়া করা বউ? হিমম। ইশ্ রে। বুড়া বেটার শখ কত? আমাকে বুড়া বললা তুমি। হিমম। আমি পড়ি ক্লাস এইট এ,আর তুমি মাস্টার্স দিবা। সেটাইতো ভালো। আমি তাড়াতাড়ি ইনকাম করা শুরু করব। তুমি যখন শাড়ী,চুরি,গয়না চাইবে, আমি তোমাকে কিনে দিতে পারব। …

টয়া Read More »

MUKHOPADHYAY

আগুন ————– অমিতাভ মুখোপাধ্যায় ফাগুনে লেগেছে আগুন বসন্ত গেছে উবে চারিদিকে মৃত্যুর ধ্বনি যমে মানুষে টানাটানি শুধু কোবিদ -এর জয় উল্লাস শুনি এখন – মানুষ বড় অসহায়, নির্মম শ্মশানে জ্বলছে চিতা সুখের দুয়ারে পড়েছে কাঁটা সাদা কাপড় হাতছানি দেয় এবেলা থেকে ওবেলা এ যেন এক প্রেতপুরী কে যে কখন চলে যাবে নিয়তি শুধু জানে দিন …

MUKHOPADHYAY Read More »

আশা রাখি

আশা রাখি মিজানুর রহমান মিজান ওহে আল্লাহ পাক সাঁই, তোমার কাছে পানাহ চাই তুমি বিনে কেহ নাই, দয়ার সাগর রহমতের ভান্ডার।। মিথ্যা বলা মহাপাপ, সকল গোনাহের বাপ তাতে আছে অভিশাপ, সত্যতে ঘোষণা পুরস্কার।। সকল কথায় মিথ্যা বলে, পড়েছে স্বার্থের জালে লোভ অহংকারের কুটকৌশলে, পাইতে চায় উদ্ধার।। লাজ-লজ্জা বিসর্জন দিয়া, মিথ্যাকে হার বানাইয়া সত্যকে ঢাকতে মিথ্যা …

আশা রাখি Read More »

বসন্তের ঘ্রাণ

##বসন্তের_ঘ্রাণ ।। ##কৌশিক_দাস_হলদিয়া ।। আচ্ছা…….তুমি কি আমাকেমাপতে পারো । অজান্তের ভালোবাসারকোনো একক দিয়ে । এমন কোনো সংখ্যা……তুমি কি জানো ? যা দিয়ে আমার পরিমাপবুঝিয়ে দিতে পারো । মনের ভালোবাসারকারিগরি মেরামত…….করতে জানো ? বেপরোয়া অদৃশ্য পথেএকটা মনমরা অভিভাবকহীনবৈশাখী ঝড় তুলে । সুদীর্ঘকালের……..একটা জমাটি দীর্ঘশ্বাসেরগতিপথে । কেনো খোঁজ তুমি……..ঐ কুসুমে — কৌশিকে ,বসন্তের ঘ্রাণ ।। মনবাবি……….. Copyright@কৌshik15/04/2021

মনে পড়ে

মনে পড়েমোহাম্মদ শহীদুল্লাহ——————–আমি তখন থ্রি-তে পড়ি।সত্তুর দশকের মাঝামাঝি ।প্রাইমারি স্কুলের জানালা গলিয়েমুক্তাগাছা রুমা সিনেমা হলের একটি প্রচারণা শুনি —হেলায় সুবর্ণ সুযোগ না হারিয়ে আজি চলে আসুন রুমা সিনেমা হলের রূপালী পর্দায়—সাথে ঢোল,বাঁশি।একটা বড় প্ল্যাকার্ডে সিনেমার রঙিন পোস্টার সাঁটানো। চারপাশে লাল সবুজ হলুদ কাগজের ছোটো ছোটো নিশান ।বাদকদলের পাশে একপাল ছেলে মেয়ে ।সবাই পেছনে পেছনে ছুটতে …

মনে পড়ে Read More »

আমার সবুজ মা

আমি আবার ফিরে গেছি সবুজ মায়ের কোলে, যেখানে নানান রঙের রঙিন স্বপ্ন দোলে। কিন্তু সে স্বপ্ন যে স্বপ্ন হয়ে থেকে যায়, আমার সবুজ মা তোআর বেঁচে নাই। মনে আমার দুঃখ অনেক বোঝাব আর কারে, সবুজ মায়ের হাতছানি মনে পড়ে বারে বারে। কোথায় আছে সবুজ মা জানিনা আমি তার ঠিকানা, মায়ের মুখের খোকা খোকা ডাকটা আমি …

আমার সবুজ মা Read More »

অন্তর্বাস

অন্তর্বাস মহীতোষ গায়েন হে নারী !হে পুরুষ ! অন্তর্বাস খুলে ফেললেই কি ভালোবাসা,প্রেম পাওয়া যায় ? যায় না : এসব পেতে গেলে পোড়া রুটি আর শান্তির জন‍্য লড়াইয়ে নিজেকে সামিল করতে হয়। অন্তর্বাস খুললেই কি ভালোবাসা পাওয়া যায়? পাওয়া যায় স্বর্গীয় সুখ ? না,একথা জানতে না বলে মিঠেরোদ-বৃষ্টিতে সঙ্গমরত মরাল মরালীর আচমকা বাজ পড়ে মৃত‍্যুতে …

অন্তর্বাস Read More »

অসুর নিধন – দীপঙ্কর বেরা

ঘরের পাশে রাস্তার ধারে ট্যাক্সি রেখে শম্ভু বলে – না আজও সে রকম ভাড়া হল না। কি করে মালিককে বোঝাব কে জানে?
কথা শুনে মালতী কিছু বলার আগে বাইরে কাটা স্বপন চিৎকার করে – কি রে শম্বা বেরিয়ে আয়।
শম্ভু বেরিয়ে আসতেই বলে – কি রে? তোর খুব চর্বি জমেছে মনে হয়। আমাদের ছেলেদের চাঁদা দিস নি কেন? এখানে কি ফোকটে থাকার জায়গা? আমাকে আসতে হল। দে পাঁচশ দে।
শম্ভু মাথা গরম করে। তাই মালতী বলে – এই লকডাউনে কোন আয় নেই। রেশনও ঠিক মত পাচ্ছি না। ট্যাক্সির ভাড়া হচ্ছে না। আমাদেরই চলছে না।
স্বপন আরো জোরে বলে – আরে আমাদের তো এটাই আয়। আমরা বুঝি। তাই গত চার পাঁচ মাস আসি নি। কিন্তু পূজোর মুখে না বললে শুনব না। না হলে —
আর কিছু না বলে কলতলায় বাসন মাজছিল শম্ভুর মেয়ে মিনু তার দিকে তাকিয়ে স্বপন ও তার দলবল ভাঙা বেড়ায় লাথি মেরে চলে গেল।
পরদিন কথাটা মিনু ভিক্টরকে বলল। আনমনে কি যেন ভাবতে ভাবতে ভিক্টর বলে – চলো আমরা গাছের ঝোপে বসি।
প্রথম প্রথম ভিক্টর বেশ মিষ্টি মিষ্টি কথা বলত। বলত – আমাদের এই বস্তিকে উন্নত করতে হবে। তোকে আমি বাবুদের মত ফ্ল্যাটে তুলব। আমরা প্রেমের মিশাল গড়ব।
আর এখন ঝোপের আড়ালে গল্প করার ছলে শুধু গায়ে হাত দেয়। বেশ কয়েকবার খুব কষ্টও দিয়েছে। মিনু ইস্ততত করছে দেখে ভিক্টর বলে – আরে চিন্তা করো না। আমি স্বপনদার সঙ্গে কথা বলব।
মিনু আজ ভিক্টরের মুখে আদর করে স্বপনদা নামটা শুনে মিনু চলে আসে। পেছন থেকে ভিক্টর বলে – তোমাদের এত দেমাক ভাল নয়। তোমরা পস্তাবে।
ঠিক তাই হল। মহালয়ার তিন চারদিন পরে শম্ভু একটা বড় ভাড়া পেয়ে সবার জন্য কিছু না কিছু নতুন এনেছে। আর ঠিক তারই গন্ধ পেয়ে মাঝ রাতে এসে হাজির ভিক্টর। কাটা স্বপন ও তার দলবল সাথে করে। ছিটে বেড়াটা পুরো ভেঙে দেয়। শম্ভুকে মারধর করে। কোন টাকা পয়সা না পেয়ে মিনুর দিকে এগোয়।
মিনু জানত। আসলে এসবই বাহানা। শেষ পর্যন্ত মিনুর কাছে আসবেই। এমনটা হবে ক’দিন ধরে টেরও পেয়েছিল। তাই বিছানায় বালিশের পাশে রাখা ছিল। কেন না অস্ত্র ছাড়া অসুর নিধন সম্ভব নয় বলেছিল পাড়ার অনিতা বৌদি।
কাটা স্বপনের সামনে পুরুষকার দেখাতে ভিক্টর এগিয়ে যেতেই মিনু চালিয়ে দেয়। ভিক্টর কাটা কলা গাছের মত পড়ে যায়।
পরদিন হাতকড়া পরা মিনুকে দেখে অনিতা বৌদি বলে – এ যুগে সবাই মাটির দুর্গাকে পূজো করে। সত্যিকারের দুর্গার এটাই ভবিতব্য।
মিনু মুচকি হাসে।

[caption id="attachment_5189" align="alignnone" width="300"]Dipankar Bera Dipankar Bera[/caption]